নয়া রেকর্ড ! চাঁদের বুকে নামতে চলেছেন আরব দুনিয়ার মহিলা মহাকাশচারী
Bangla Times Desk: সংযুক্ত আরব আমিরাত এ বার পা রাখতে চলেছে চাঁদে। চাঁদের পিঠে দুই মহাকাশচারীকে নামানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরত। তাঁদের মধ্যে এক জন মহিলা।
এই প্রথম কোনও মহিলাকে চাঁদের বুকে হাঁটানোর পথে এগোচ্ছে আরব দুনিয়ার কোনও দেশ। মহাকাশেও এর আগে যাননি আরব দুনিয়ার কোনও মহিলা। কট্টরপন্থী সুন্নিপ্রধান মুসলিম রাষ্ট্র হিসাবে পরিচিত সংযুক্ত আরব আমিরাত। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিদ্ধান্ত ‘একবিংশ শতাব্দীর একটি বৈপ্লবিক পদক্ষেপ’। যুগান্তকারীও।
আমিরাতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার তরফে সংবাদ সংস্থাকে জানানো হয়েছে, চাঁদের বুকে নামানোর জন্য দুই মহাকাশচারীকে বেছেও নেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যে। তাঁদের এক জন ২৮ বছরের তরুণী মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার নোরা আলমাত্রুশি। অন্য জন ৩২ বছর বয়সী মহম্মদ আলমুল্লা। যাঁর এক দশক ধরে দুবাই পুলিশের হেলিকপ্টারের দক্ষ পাইলট হিসাবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। দু’জনকেই দু’বছরের প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার জনসন স্পেস সেন্টারে পাঠানো হবে আর কয়েক দিনের মধ্যেই।
আরব দুনিয়ার প্রথম ভাবী মহিলা মহাকাশচারী নোরা আলমাত্রুশির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। ই-মেল জবাবে আলমাত্রুশি লিখেছেন, “ছোটবেলা কাগজ আর কার্ডবোর্ডের বাক্স দিয়ে মহাকাশযান বানাতাম। আর স্বপ্ন দেখতাম সেই মহাকাশযানে চেপে মহাকাশে যাওয়ার। মাকে কত বার বলেছি, আমাকে এক বার যেতেই হবে চাঁদে।”
সেই চাঁদ যদিও এখনও দূর অস্তই আলমাত্রুশির কাছে। ই-মেলে লিখেছেন, “আমেরিকার নাগরিকরা যে ভাবে ইংরেজি বলেন, লেখেন, এখন শুধু সেই সবই শিখছি। শিখছি রুশ ভাষাও। কখনও যদি আন্তর্জাতিক মহাকাশে স্টেশনে গিয়ে থাকতে হয় রুশ মহাকাশচারীদের সঙ্গে, তার জন্য। আর মহাকাশচারী হওয়ার একেবারে সহজপাঠের প্রথম কয়েকটি বর্ণ শিখছি দুবাইয়ে। শিখছি অতলান্ত জলে কী ভাবে ডাইভ দিতে হয়। সেপ্টেম্বরে যাব নাসার জনসন স্পেস সেন্টারে। সেখানেই শুরু হবে টানা দু’বছরের প্রশিক্ষণ। চাঁদ অথবা আন্তর্জাতিক মহাকাশে স্টেশনে শেষ পর্যন্ত যেতে পারলে আমার অন্তরে লুকিয়ে থাকা শিশুটিই বোধহয় সবচেয়ে বেশি খুশি হবে।”




