বেগম জিয়াকে নিয়ে ব্যঙ্গ, নাহিদ বললেন “আমরা নাম বদলাতে আসি নাই”

ডেস্ক রিপোর্ট:

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘প্রিয় গোপালগঞ্জবাসী, আমরা গোপালগঞ্জের নাম বদলাতে আসি নাই। আমরা এসেছি ভবিষ্যৎ বাংলাদেশে, এই নতুন বাংলাদেশে গোপালগঞ্জের মানুষের যেন অধিকার রক্ষা করা হয়, সেই প্রতিশ্রুতি দিতে। ’ জুলাই পদযাত্রার কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ বুধবার গোপালগঞ্জ শহরের পৌর পার্ক মাঠে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর ‘গণতন্ত্রের অভিযাত্রা’ কর্মসূচিতে বাড়ি থেকে বের হতে নিলে পুলিশ বেগম জিয়াকে বাড়ি থেকে বের হতে না দিয়ে উল্টো খারাপ আচরন ও নারী পুলিশ দিয়ে উত্ত্যাক্ত করার এক পর্যায়ে বিরক্ত হয়ে তিনি বলেন, গোপালগঞ্জের নামই বদলে যাবে। তিনি সেদিন কর্মসূচিতে যোগ দিতে নয়াপল্টনে যাওয়ার উদ্দেশ্যে গাড়িতে উঠলেও বাধার মুখে তাকে গাড়ি থেকে নেমে ঘরে ফিরতে হয়েছে।

গাড়ি থেকে নেমে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ক্ষোভ প্রকাশের একপর্যায়ে তিনি পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, ‘দেশ কোথায়? গোপালী? গোপালগঞ্জের নামই বদলে যাবে। গোপালগঞ্জের নামই থাকবে না। যারা এসব করছেন, আপনাদের ওপর আল্লাহর গজব পড়বে।’

তৎকালীন বিরোধীদলীয় এই নেত্রী বলেন, ‘আপনাদের অফিসার কোথায়? এতক্ষণ তো অনেক কথা বলেছেন….মুখটা বন্ধ কেন এখন? গোপালগঞ্জের জেলার নামই বদলে যাবে। গোপালগঞ্জ আর থাকবে না। … ৫৭ জন অফিসারকে হত্যা করল। সেদিন হাসিনা কোথায় ছিল? সেদিন হাসিনার এই ফোর্স কোথায় ছিল? কেন সে পাঠায়নি এই ফোর্সকে। কারণ সে নিজেই জড়িত ছিল এই হত্যাকাণ্ডে।’

২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর ‘ দেশ কোথায়? গোপালী? গোপালগঞ্জের নামই বদলে যাবে। বেগম জিয়ার সেই উক্তিকে ব্যঙ্গ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘প্রিয় গোপালগঞ্জবাসী, আমরা গোপালগঞ্জের নাম বদলাতে আসি নাই।

জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক আরও বলেন, প্রিয় গোপালগঞ্জবাসী, মুজিববাদীরা আজ বাধা দিয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের সময় বলেছিলাম, বাধা দিলে বাঁধবে লড়াই, সেই লড়াইয়ে জিততে হবে। সেই লড়াইয়ে আমরা জিতেছিলাম। আজ আবারও বাধা দেওয়া হয়েছে, দ্বিগুণ গতিতে এর জবাব আমরা দেব।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলের সারজিস আলম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন ও যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা ও স্থানীয় নেতারা।

Share This:
You might also like