‘সদস্য হতে লাগে ৫০ লাখ, এসব ক্লাবের ভেতর কী হয়’

Bangla Times News Desk:

কর্মকর্তা এসব ক্লাবের সদস্য। কীভাবে তারা এইসব ক্লাবের রাজধানীর গুলশান ক্লাব, উত্তরা ক্লাব, ঢাকা ক্লাবসহ বিভিন্ন ক্লাবে গ্যালনের পর গ্যালন মদ বিক্রি হয়। এগুলো কারা খায়? এরা সবাই কি লাইসেন্সধারী? যদি লাইসেন্সধারীরা খায় তাহলে এত খাওয়ার কথা নয়। অনেক সরকারি কর্মকর্তা এসব ক্লাবের সদস্য। কীভাবে তারা এইসব ক্লাবের মেম্বার হয়? এই বোট ক্লাব কারা করল? একেকটা ক্লাবের মেম্বার হতে ৫০ লাখ, ৬০ লাখ টাকা খরচ হয়। এই ক্লাবের ভেতরে কী হয়?

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব প্রশ্ন করেন জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মুজিবুল হক।

মুজিবুল হক বলেন, আমার প্রশ্ন এই বোট ক্লাব কারা করল? একেকটা ক্লাবের মেম্বার হতে ৫০ লাখ, ৬০ লাখ টাকা খরচ হয়। আমরা তো চিন্তাও করতে পারি না যে ৫০ লাখ টাকা জীবনে কামিয়েছি এইটা দিয়ে মেম্বার হব। তারা কী করে মেম্বার হয়? আমি যতটুকু জানি, এসব ক্লাবে মদ খাওয়া হয়, জুয়া খেলা হয়। বারের লাইসেন্স আছে।

যারা মদ খাবে, তাদেরও লাইসেন্স থাকতে হয় মন্তব্য করে মুজিবুল হক বলেন, প্রায়ই গুলশানের বিভিন্ন বাড়িতে ডিজে পার্টি হয়। এই যে এয়ারপোর্টে অ্যারেস্ট হলো, পত্রিকায় দেখলাম। যাদের অ্যারেস্ট করা হলো, সেটাও না কি একটা ডিজে পার্টি ছিল রাতে। এই ডিজে পার্টিগুলোতে কী হয়? সেখানে নেশা করা হয়, মদ খাওয়া হয়, ড্যান্স হয়। যেগুলো আমাদের আইনে নেই, কালচারে নেই। যেটা আমাদের ধর্মে নেই। মানুষের মধ্যে একটা পাবলিক পারসেপশন যে, বড়লোকরা যা করে তার কোনো বিচার নেই। গ্রামে-গঞ্জে একটু মদ খেলে পুলিশ অ্যারেস্ট করে। কিন্তু ক্লাবে গিয়ে লাইসেন্স ছাড়া মদ খেলে কেউ অ্যারেস্ট করে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করব বিষয়টি দেখার জন্য।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেয়ার অনুরোধ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে এই সংসদ সদস্য আরও বলেন, কেন এইসব বন্ধ করা হবে না? এ সমস্তগুলোতে যারা যাচ্ছে, তারা কারা? কারা এত টাকা দিয়ে মেম্বার হয়? এই মদ যে বিক্রি হয়, লাইসেন্সধারীরাই কি খায়? না কি লাইসেন্সধারী ছাড়াও খায়? এগুলো একটু দেখা প্রয়োজন।

Share This:
You might also like