বিমানটিতে আসলে কতজন যাত্রী ছিলেন?
Bangla Times News Desk:
আফগানিস্তানে আশরাফ গনি সরকারের পতনের পর মার্কিন বাহিনী নিজ দেশের নাগরিকদের জরুরিভিত্তিতে সরিয়ে নিতে শুরু করে।
এতে সেনা সদস্যসহ সরঞ্জামাদি বাদ যায়নি কিছুই। সবকিছু নিয়েই একের পর এক বিমান ছেড়ে যায় কাবুল বিমানবন্দর থেকে।
সোমবার হাজার হাজার আতঙ্কিত মানুষ হাজির হন কাবুলে হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে।
বড়সড় একটি কার্গো বিমানে হুড়োহুড়ি করে উঠতে থাকেন অনেকে।
ভিড় সামাল দিতে বিমানবন্দরটির নিয়ন্ত্রণে থাকা মার্কিন সেনারা ফাঁকা গুলিও ছোড়েন। এতে হতাহত অনেকে। তবু বিমানের উঠতে মরিয়া চেষ্টা চালান তারা। ধাক্কাধাক্কি করে যে যেভাবে পেরেছেন চেষ্টা করেছেন ভিতরে ঠাঁই পাবার।
তবে ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয়নি অনেকের। কেউ কেউ বিমানের বাইরের অংশে ঝুলেও ছাড়তে চেয়েছেন দেশ। এতকিছুর পরেও বিমানটি যখন ছাড়ে তখন সেটির অবস্থান বিমানবন্দরের রানওয়ে নাকি জনসমুদ্রের মাঝে আলাদা করাই মুশকিল হয়ে যায়।
স্বভাবতই কৌতুহলী মানুষের জিজ্ঞাসা, প্রাণান্ত চেষ্টায় কতজন উঠতে সক্ষম হয়েছেন? কতজন সৌভাগ্যবান ব্যক্তি যারা বিমানটিতে ওঠার প্রতিযোগিতায় জয়ী?
এই জিজ্ঞাসা বেড়েছে যখন বিমানটির ভেতরের ছবি প্রকাশ করেছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স। কোনো আসন বলে কিছু নেই। ঠাসাঠাসি গাদাগাদি হয়ে আছে শুধু মানুষ আর মানুষ। যেন সুঁই ঢোকার জায়গা নেই।
এ বিষয়ে যাবতীয় ধুম্রজালের জবাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ। এটি সি-১৭ গ্লোব মাস্টার-৩ কার্গো বিমান। এটিতে ১৩৪জন প্যারাট্রুপার বসতে পারে। এরমধ্যে ৮০ জন মেঝেতে এবং বাকীরা দুপাশের দেওয়াল ঘেঁষে বসতে পারে। তবে এবারের ট্রিপে যাত্রী হয়েছিলেন ধারণক্ষমতার কয়েকগুণ।
মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ জানায়, এতে ওঠার সুযোগ পেয়েছিলেন ৬৪০ জন যাদের বৈধ কাগজপত্র ছিলো। এর বাইরে ভিসা পাসপোর্ট ছাড়াই আসা বিপুল সংখ্যক যাত্রীদের কাউকে ওঠার সুযোগ দেয়া হয়নি।








