সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদার আর কখনোই হবে না পাকিস্তান- ইমরান খান
Bangla Times News Desk:
শান্তি রক্ষায় সবসময়ই যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদার হবে পাকিস্তান। কিন্তু আর কোনো যুদ্ধে কখনোই পাকিস্তান শামিল হবে না। বুধবার পাকিস্তানের পার্লামেন্টে এ কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। এ সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে আফগানিস্তানে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘ফ্রন্টলাইন স্টেট’ হওয়ার জন্য তার দেশের অতীতের নীতিকে মুর্খতা বলে নিন্দা জানান। বলেন, ওই নীতির কারণে নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে ইসলামাবাদ। এ খবর দিয়েছে অনলাইন ভয়েস অব আমেরিকা।
প্রায় দুই দশক ধরে আফগানিস্তানে যুদ্ধ শেষে যুক্তরাষ্ট্র তার সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরপর আফগানিস্তানে সন্ত্রাসবিরোধী মার্কিন সামরিক বাহিনীর অভিযানের জন্য পাকিস্তানের মাটিতে ঘাঁটি গাড়তে দেবেন না বলে জানিয়েছেন ইমরান খান।
প্রায় দুই দশক ধরে আফগানিস্তানে যুদ্ধ শেষে যুক্তরাষ্ট্র তার সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরপর আফগানিস্তানে সন্ত্রাসবিরোধী মার্কিন সামরিক বাহিনীর অভিযানের জন্য পাকিস্তানের মাটিতে ঘাঁটি গাড়তে দেবেন না বলে জানিয়েছেন ইমরান খান।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িত হতে পাকিস্তানি সিদ্ধান্ত তার দেশে জঙ্গিবাদকে উস্কে দিয়েছে। এর ফলে আত্মঘাতী ও অন্য সন্ত্রাসী হামলায় কমপক্ষে ৭০ হাজার পাকিস্তানি নিহত হয়েছেন। ভঙ্গুর অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ক্ষতি হয়েছে ১৫০০০ কোটি ডলার।
ইমরান খান ওয়াশিংটনের সমালোচনা করে বলেন, এত আত্মত্যাগ স্বীকার করার পরও ওয়াশিংটন ইসলামাবাদকে কপট বলে আখ্যায়িত করে এবং পাকিস্তানের সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
উল্লেখ্য প্রায় ২০ বছর আগে আফগানিস্তানে আগ্রাসন শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বিদেশি শক্তি। তারপর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কে উত্থান-পতন ঘটছে। যুক্তরাষ্ট্রের ওই হামলায় আফগানিস্তানে ক্ষমতা থেকে তালেবানদের উৎখাত করা হয়। তারা জঙ্গি গোষ্ঠী আল কায়েদাকে আশ্রয়প্রশ্রয় দিচ্ছিল। ওয়াশিংটনের দাবি, ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্রে সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা করেছিল আল কায়েদাই। তাতে নিহত হয় প্রায় ৩০০০ মানুষ।
কিন্তু ওয়াশিংটনের অব্যাহত অভিযোগ, পাকিস্তানকে শত শত কোটি ডলার সহায়তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তা সত্ত্বেও পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তালেবানদের সমর্থন ও সুবিধা দিয়েছে। এই সমর্থনের কারণে তালেবানরা নতুন করে সংগঠিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছে বলে বিশ্বাস করা হয়। তারা এখন আফগানিস্তানের বেশ কিছু এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। কিন্তু পাকিস্তান অব্যাহতভাবে তালেবানদের সামরিক বা অন্য কোনো উপায়ে সমর্থন দেয়ার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে।
ইমরান খান ওয়াশিংটনের সমালোচনা করে বলেন, এত আত্মত্যাগ স্বীকার করার পরও ওয়াশিংটন ইসলামাবাদকে কপট বলে আখ্যায়িত করে এবং পাকিস্তানের সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
উল্লেখ্য প্রায় ২০ বছর আগে আফগানিস্তানে আগ্রাসন শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বিদেশি শক্তি। তারপর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কে উত্থান-পতন ঘটছে। যুক্তরাষ্ট্রের ওই হামলায় আফগানিস্তানে ক্ষমতা থেকে তালেবানদের উৎখাত করা হয়। তারা জঙ্গি গোষ্ঠী আল কায়েদাকে আশ্রয়প্রশ্রয় দিচ্ছিল। ওয়াশিংটনের দাবি, ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্রে সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা করেছিল আল কায়েদাই। তাতে নিহত হয় প্রায় ৩০০০ মানুষ।
কিন্তু ওয়াশিংটনের অব্যাহত অভিযোগ, পাকিস্তানকে শত শত কোটি ডলার সহায়তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তা সত্ত্বেও পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তালেবানদের সমর্থন ও সুবিধা দিয়েছে। এই সমর্থনের কারণে তালেবানরা নতুন করে সংগঠিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছে বলে বিশ্বাস করা হয়। তারা এখন আফগানিস্তানের বেশ কিছু এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। কিন্তু পাকিস্তান অব্যাহতভাবে তালেবানদের সামরিক বা অন্য কোনো উপায়ে সমর্থন দেয়ার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে।



