রিং আইডি’র এজেন্ট রেদোয়ান কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক:

বিতর্কিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান রিং আইডির অন্যতম এজেন্ট মো. রেদোয়ান রহমানকে (২২) গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সোমবার (১১ অক্টোবর) সকালে সিআইডির প্রধান কার্যালয় অতিরিক্ত উপপুলিশ মহাপরিদর্শ কামরুল হাসান এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘আইডি খোলার নাম করে এবং আয়ের নানান প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মো. রেদেয়ানকে রবিবার বিকাল পৌনে ৫টার দিকে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি ২০১৮ সাল থেকে রিং আইডিকে ইউজার হিসেবে কাজ শুরু করে। গত ৭-৮ মাস পূর্বে রিং আইডিতে এজেন্ট হিসেবে নিয়োগ পান। এই সময়ের মধ্যে তিনি প্রায় ছয়শতাধিক মানুষের কাছে আইডি বিক্রি করে প্রায় ১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে।’

বিতর্কিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান রিং আইডির অন্যতম এজেন্ট মো. রেদোয়ান রহমানকে (২২) গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সোমবার (১১ অক্টোবর) সকালে সিআইডির প্রধান কার্যালয় অতিরিক্ত উপপুলিশ মহাপরিদর্শ কামরুল হাসান এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘আইডি খোলার নাম করে এবং আয়ের নানান প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মো. রেদেয়ানকে রবিবার বিকাল পৌনে ৫টার দিকে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি ২০১৮ সাল থেকে রিং আইডিকে ইউজার হিসেবে কাজ শুরু করে। গত ৭-৮ মাস পূর্বে রিং আইডিতে এজেন্ট হিসেবে নিয়োগ পান। এই সময়ের মধ্যে তিনি প্রায় ছয়শতাধিক মানুষের কাছে আইডি বিক্রি করে প্রায় ১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে।’

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, প্রতিটি সিলভার আইডি ১২ হাজার, গোল্ড আইডি ২২ হাজার, প্রবাসী গোল্ড আইডি ২৫ হাজার, প্রবাসী প্লাটিনাম আইডি ৫০ হাজার টাকা বিক্রি করতেন।’

বিভিন্ন বিতর্কিত ই-কমার্সের মতো এই প্রতিষ্ঠানটিও অস্বাভাবিক মূল্যছাড়ে পণ্য বিক্রি করতো। তারা ই-ওয়ালেটের মাধ্যমে পণ্য কেনাবেচা করে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করতো বলেও জানিয়েছে সিআইডি। গত ১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং ও প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের হওয়া একাধিক মামলা তদন্তাধীন।

জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, প্রতিটি সিলভার আইডি ১২ হাজার, গোল্ড আইডি ২২ হাজার, প্রবাসী গোল্ড আইডি ২৫ হাজার, প্রবাসী প্লাটিনাম আইডি ৫০ হাজার টাকা বিক্রি করতেন।’

বিভিন্ন বিতর্কিত ই-কমার্সের মতো এই প্রতিষ্ঠানটিও অস্বাভাবিক মূল্যছাড়ে পণ্য বিক্রি করতো। তারা ই-ওয়ালেটের মাধ্যমে পণ্য কেনাবেচা করে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করতো বলেও জানিয়েছে সিআইডি। গত ১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং ও প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের হওয়া একাধিক মামলা তদন্তাধীন।

Share This:
You might also like