শ্রীনগরে পদ্মার চরে বাদামের ফনল কম

প্রকাশিত: ৬:২৩ অপরাহ্ণ, জুন ৭, ২০২১

শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি: শ্রীনগর উপজেলার ভাগ্যকুল ও বাঘড়া এলাকায় পদ্মা নদীর তীরবর্তী চরাঞ্চলের এবছর বাদাম চাষে ফলন কম হয়েছে। প্রতি বিঘা জমিতে বাদামের ফলন হয়েছে ৪ থেকে ৫ মণ। অন্যান্য বছরের তুলনায় ফলনের পরিমান অর্ধেকে নেমে এসেছে। ১ বিঘায় বাদাম চাষে কৃষকের খরচ হয়েছে প্রায় ১০ হাজার টাকা। পাইকারী বাজারে প্রতি মণ বাদাম বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫শত’ থেকে সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা। সেই হিসাব অনুযায়ী প্রতি কেজি বাদামের মূল্য ধরা হচ্ছে ৬২ থেকে ৭৫ টাকা। এচাষে সব খরচ বাদে স্থানীয় কৃষক লাভজনক অবস্থানে নেই।
জানা গেছে, উপজেলার পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকায় বিস্তীর্ণ চরের জমিতে বেশ কয়েক বছর ধরে দেশী জাতের বাদামের ব্যাপক চাষাবাদ হচ্ছে। ভাগ্যকুল ও বাঘড়া এলাকায় বাদাম চাষে মোট প্রদর্শনী ছিল ২০টি। স্থানীয় কৃষকরা উৎপাদীত এসব বাদাম পাইকারীভাবে বিক্রি করছেন শিবচরের মাদবর চর ও দোহারের জয়পাড়াসহ বিভিন্ন হাটবাজারে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, এরই মধ্যে ভাগ্যকুল ও বাঘড়া এলাকায় জমি থেকে বাদাম তুলে আনা হচ্ছে। গত কয়েকদিরে টানা বৃষ্টির কারণে মাটিযুক্ত লতা গাছসহ এসব বাদাম ঘরেই সংরক্ষণ করা হচ্ছে। বৃষ্টির র‌্যাশ কাটলে গাছ থেকে এসব বাদাম ছাড়িয়ে বাজারজাত করার জন্য প্রস্তুত করা হবে।
এসময় কৃষক মো. সুমন, আবুল হোসেনসহ অনেকেই জানান, অতি খড়ার কারণে এবছর অনেকাংশেই বাদামের ফলন কম হয়েছে। বাদাম চাষে সব খরচ বাদ দিলে তেমন লাভ হবেনা। এছাড়াও টানা বৃষ্টির কারণে বাধ্য হয়েই বাদাম সংরক্ষণে ও কাজে বেঘাত ঘটছে।এভাবে বাদাম ঘরেই রাখতে হচ্ছে।
এক কৃষক জানায়, চওে জমির খাজনা পরিশোধ করে ১০ বিঘা জমিতে বাদামের চাষ করেন তিনি। এতে তার খরচ হয়েছে ১ লাখ টাকা। ফলন কম হওয়ায় খরচ ও খাটা খাটোনী বাদে বাদাম চাষে হতাশায় ভোগছেন তিনি।
এব্যাপারে ভাগ্যকুল ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাবিত্রী রানী সরকার জানান, চরাঞ্চলে এ বছর ৫০ হেক্টর জমিতে বাদামের চাষ হয়েছে। অতি খড়ার কারণে বাদামের ফলন কম হয়েছে। বাদামের বাম্পার ফলন হলে প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় ১০/১২ মণ বাদম হতে পারে।

শ্রীনগর,মুন্সীগঞ্জ
০৭/০৬/২১ইং