বাগমারায় করোনায় এক দিনে ২ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত: ৯:২৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ৫, ২০২১

বাগমারা (রাজশাহী) প্রতিনিধি : রাজশাহীর বাগমারায় কিছুতেই ঠেকানো যাচ্ছে না করোনার ভাইরাসের প্রভাব। দিন দিন সংক্রমিত বাড়ছেই। স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন সচেনতার অভাবে বেড়ে চলেছে মরনব্যাধি করোনায়ভাইরাস। শহর হয়ে এই করোনার ঢেউ বাগমারায় অপ্রতিরোধ ভাবে গ্রাম এলাকায় বিস্তার করছে। এতে সোমবার ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা ওয়ার্ডে আইসোলেশন রাখা হয়েছে ৩ জন কোরানারোগী। এছাড়া একজন সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজনকে বাগমারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের করোনা অবজারভেশনে বাসায় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সূত্রে জানা গেছে, করোনা ভাইরাসে বাগমারার সাবেক সংসদ সদস্য আবু হেনা, উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি অধ্যাপক মখলেছুর রহমানসহ অন্তত: ১০ জন করোনায় সংক্রামিত হয়ে মারা গেছেন। এছাড়া উপসর্গ নিয়ে ৫০ জনেরও বেশী লোক মারা গেছে। তবে জনপ্রতিনিধিসহ গুরুত্ব পূর্ণ লোক বাগমারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মারা যাননি। এসব বেশী ভাগ মৃত্যুদের অধিকাংশ ঢাকা, রাজশাহীসহ বাইরে মারা গেছেন। সোমবার উপজেলার ভবানীগঞ্জ পৌরসভা সাদোপাড়া গ্রামের এনজিও কর্মী মুকুল হোসেন (৫৫) ও শ্রীপুর গ্রামের হাবিবুর রহমানের স্ত্রী রহিমা বেগম (৬৫)। মুকুল হোসেন রংপুরে একটি বেসরকারী এনজিওতে চাকরী করতেন। লকডাউনের প্রথম দিকে বাড়ি এসে আর চাকুরীতে যাননি। গত কয়েক দিন এগ তার দেহে করোনা ভাইরাস ধরা পড়ে। বাসায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার তার শ্বাষকষ্ট বেড়ে গেলে তার মৃত্যু হয়। একই ভাবে উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের রহিমা বেগম বার্ধক্যজনিত রোগে ভোগছিলেন। সোমবার বাগমারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করানো হয়। সেখানে চিকিৎসার আগে ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যু পর করোনা এ্যান্টিজেন পরীক্ষায় তার পজেটিভ মিলে। রহিমা বেগমের মৃত্যুর বিষয় নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স।
এ ব্যাপারে বাগমারা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: গোলাম রাব্বানী বলেন, করোনার বাগমারার পরিস্থিতি এখন অনেকটাই ঝুঁকিপূর্ন। এই অবস্থা মোকাবেলার জন্য আমরা সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছি। ২৪ ঘন্টা আমাদের হটলাইন খোলা রয়েছে এবং প্রস্তুত রয়েছে মেডিকেল টিম। তিনি পরিস্থিতিতি এমন অবস্থায় সাধারণ মানুষের মধ্যে শঙ্কা দেখা গেলেও তারা সামাজিক দুরত্ব ও মাস্ক পরছেন না বলে দাবি করেন।