গুলির দুর্বিষহ যন্ত্রনায় এখনো ভুগছে ছাত্রদল নেতা সিরাজ

প্রকাশিত: ১০:৫১ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৫, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক : দীর্ঘ ৭ বছর পরেও গুলির ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছেন স্লোগান মাস্টার খ্যাত ছাত্রনেতা সিরাজুল ইসলাম। ২০১৩ সনে ২৫ জুলাই এই দিনে তৎকালীন বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও বর্তমান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের করা কটুক্তির প্রতিবাদে জনগ্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের উদ্দ্যোগে করা মিছিলে গুলিবিদ্ধ হন সিরাজ। এ সময় গুলিবিদ্ধ সিরাজের পেটের নাড়িভুড়ি বের হয়ে যায়। পরে দীর্ঘ সময় চিকিৎসার পরে তিনি মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে এসেছেন। কিন্তু এখনো সেই দুর্বিসহ যন্ত্রনা বয়ে বেড়াচ্ছেন ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহ সাধারন সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম।

সিরাজুল ইসলাম বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক “তারেক রহমান” কে নিয়া শেখ হাসিনা ও তার ছেলে জয় যে কটুক্তি করে ছিলো তার প্রতিবাদে সারা বাংলাদেশ যখন নিরব ছিলো ঠিক সেই মুহুর্তে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এর ছাত্রদল ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করে। আর সেই মিছিলে পুলিশ ও ছাত্রলীগ একত্রিত হয়ে হামলা চালালে পুলিশ আমাকে ধরে নিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে রাস্তার মধ্যে গুলি চালায়। আল্লাহ্‌ তায়ালার অশেষ রহমতে ও সকলের দোয়া ও আন্তরিকতা আর ভালবাসায় বেঁচে আছি। ০৫ দিন লাইফ সাপোর্ট ও ০৭ দিন ICU তে থেকে ৫ টা কঠিন অপারেশন আর ২৯ ব্যাগ রক্ত দেওয়ার মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়। এসময় শরীরের অনেক অংশ কেটে ফেলার পর ও আল্লাহ্‌র রহমতে বেঁচে আছি। তিনি বলেন, যারা রক্ত দিয়ে,আর্থিক ভাবে,শারীরিক ভাবে,বিভিন্ন ভাবে হেল্প করেছেন আমার জন্য, তাদের ঋন কোন দিন শোধ করতে পারবো না।

সিরাজ বলেন, আমার চিকিৎসা ও সার্বিক খোজ খবর নেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক”তারেক রহমান” ভাইয়াকে। যার আন্তরিক তদারকিতে আমি মুগ্ধ।আমার শেষ রক্তবিন্দু ও যদি জিয়া পরিবারের জন্য দিতে পারি তবেই আমার জাতীয়তাবাদের আর্দশের জীবন ধন্য।সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল বলেন, আমি যদি এক কথায় বলতে চাই সিরাজ জাতীয়তাবাদী শক্তির বিশ্বস্থ নেতৃত্ব। তিনি সত্যিকারার্থে মৃত্যুঞ্জয়ী ছাত্রনেতা। আমি তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।