Home / ধর্ম / মুহাম্মদ (সা.) ও রিসালাত -মৌলানা সৈয়দ আখতার হোসেন

মুহাম্মদ (সা.) ও রিসালাত -মৌলানা সৈয়দ আখতার হোসেন

বিশ্বজাহানের প্রতিপালক মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মাখলুকাতের শান্তির ফয়সালা দিয়ে অর্থাৎ পবিত্র কুরআনসহ এ ধরায় প্রেরণ করেছিলেন একজন মহামানবকে। তিনিই হলেন মুহাম্মদ (সা.)। তিনি মহান আল্লাহর নির্দেশে মা আমিনার গর্ভ থেকে ধরায় ভূমিষ্ঠ হলেন ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের আগস্ট মাসে, অর্থাৎ ১২ রবিউল আউয়াল সোমবার। তিনি রিসালাত লাভ ৪০ বছর বয়সে। হেরা পর্বতের গুহায় তাঁর ওপর ওহি নাজিল হয়। যে রিসালাত, যে শান্তির বাণী দিয়ে তাঁকে পৃথিবীতে প্রেরণ করা হয়েছিল, সেটি হচ্ছে আল কুরআন। আর তিনিই সর্বশ্রেষ্ঠ ও শেষ নবী এবং রাসূল হজরত মুহাম্মদ (সা.)।
পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ ঘোষণা করেন, ‘হে রাসূল আমি আপনাকে বিশ্বে রহমতস্বরূপ প্রেরণ করেছি।’ (সূরা আম্বিয়া : ১০৭)। আর উজ্জ্বল আলোকবর্তিকা নূরসহ প্রেরণ করেছি। আল কুরআন। সূরা নিসার ১৭৪নং আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, ‘হে মানুষ! আমি (আল্লাহ) তোমাদের মালিকের কাছ থেকে তোমাদের কাছে একটি উজ্জ্বল প্রমাণ এসেছে এবং আমি তোমাদের জন্য তোমাদের নিকট একটি উজ্জ্বল জ্যোতি নাজিল করেছি। চির শাশ্বত শান্তির বিধান আলোকবর্তিকা বা আল কুরআন দিয়ে, রিসালাত দিয়ে, রহমাতুল্লিল আলামীন মুহাম্মদ (সা.) অশান্ত ধরায় বইয়ে দিলেন নূরের আলো ও শান্তির ফল্গুধারা। তিনি যে রিসালাত লাভ করেছিলেন এ বিষয়ে আল কুরআনে আল্লাহ বলেন, ‘অবশ্যই আমি তোমাদের সত্য
(দীন)সহ পাঠিয়েছি, পাঠিয়েছি আজাবের ভীতি প্রদর্শনকারী ও (জান্নাতের) সুসংবাদবাহী হিসেবে। (জেনে রেখো) তোমাকে জাহান্নামের অধিবাসীদের (দায়-দায়িত্বের) ব্যাপারে কোনোরকম প্রশ্ন করা হবে না। (সূরা আল বাকারা : ১১৯)।
ব্যক্তি জীবনে তিনি শান্তি আনতে পরিচ্ছন্ন ও সাধাসিধে জীবনযাপনের দীক্ষা দিয়েছিলেন মানবজাতিকে। এ বিষয়ে এক হাদীসে বলা হয়েছে, ‘রাসূলুল্লাহ (সা.) নিজের জামাকাপড় এবং জুতা নিজেই সেলাই করতেন এবং নিজেই পরিষ্কার
করতেন। ঘরের সাধারণ কাজকর্ম নিজের হাতে করতেন। নিজের ব্যবহৃত পোশাকে উকুন থাকলে তা তিনি নিজ হাতেই পরিষ্কার করতেন। নিজের হাতে বকরির দুধ দোহন করতেন।’ (মিশকাত শরীফ, ২য় খ-, পৃঃ ৫২০)। হজরত আয়েশা
ছিদ্দিকা (রা.) বর্ণনা করেছেন, তাঁর (রাসূলের) হুজরা খানার পর্দা ছিল ছেঁড়া। ঘরের ছাদ ছিল খেজুর পাতার আর দেয়াল ছিল কাদা-মাটির। শিশুকাল থেকে তিনি ছিলেন অধিক সত্যবাদী, কোমল প্রাণ ও সর্বাধিক পবিত্র মনের অধিকারী।
তাইতো কাফেররাও তাঁকে আল আমিন উপাধি দিতে দ্বিধাবোধ করেননি। আল্লাহ বলেন, ‘হে রাসূল! নিশ্চয় আপনি অনুপম চরিত্রের অধিকারী।’
তিনি যে রিসালাতের দায়িত্ব নিয়ে এসেছিলেন এ বিষয়ে পবিত্র কুরআন তাঁর সাক্ষী। এই অশান্ত পৃথিবীকে শান্ত করেছিলেন নূরের আলোকবর্তিকা দিয়ে, তাওহীদের শাশ্বত বাণী দিয়ে। হজরত ওমরের মতো কঠিন হৃদয়ের মানুষ ইসলাম গ্রহণের
অপরাধে হত্যা করতে গিয়ে কুরআনের মধুর পঠন শুনে মোমের মতো বিগলিত হয়ে পবিত্র পানি দিয়ে, নিজের দেহকে পবিত্র করে আল কুরআনের কিছু আয়াত পাঠ করে মুগ্ধ হয়েছিলেন। আর যে তরবারী দিয়ে প্রথম রাসূল মুহাম্মদ (সা.)-কে হত্যা করতে চেয়েছিলেন, যে তলোয়ার দিয়ে নিজের বোন ও ভগ্নিপতিকে কতল করার জন্য তাদের বাড়িতে গিয়েছিলেন; সেই তলোয়ারটি মুহাম্মদ (সা.)-এর পায়ের কাছে ফেলে কলেমা তৈয়্যবা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’ (সা.) পাঠ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে ইসলামের তথা আল কুরআনের সৈনিক হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ইসলামী সাম্রাজ্যের দ্বিতীয় খলিফা ন্যায়বিচারের ইতিহাস সৃষ্টি করেন। যে নবীর (সা.) মায়ায় পড়ে মাঠের পশু ঘাসে মুখ লাগায়নি ৩ দিন যাবত, সেই নবীর খোঁজে একদিন আবু বকর সিদ্দিকের (রা.) সাথে নিখোঁজ রাসূল মুহাম্মদ (সা.)-কে খুঁজতে তলোয়ার হাতে রাস্তায় বেরিয়ে কাফেরদের বলেছিলেন, কিছুক্ষণের মধ্যে রাসূল (সা.)-এর খবর দিতে না পারলে কাফেরদের গর্দান নেবেন। সেই তিনি নিজের জীবনের সব নেক আমল রাসূল (সা.)-এর উম্মতের জন্য দান করে নিঃস্ব হয়েছিলেন। যুদ্ধের ময়দানে খরচের জন্য যে নবীর প্রেমে পাগল হয়ে খলিফা হওয়ার আগে কাপড় ব্যবসায়ী আবু বকর (রা.) নিজের সমস্ত সম্পত্তি নবীর (সা.)-এর কাছে এনে হাজির করে নিঃস্ব হয়ে, সহায়-সম্বলহীন হয়ে বলেছিলেন, ‘আমার ঘরে আল্লাহ ও রাসূল রেখে এসেছি।’ রাসূল (সা.) এমন এক অনুপম চরিত্রের অধিকারী ছিলেন বলেই অতি সহজে বিনা রক্তপাতে মক্কা বিজয় করতে পেরেছিলেন। রাসূল (সা.) রিসালাতের বাণী থেকে, চরিত্র ও আদর্শ থেকে সামান্য কিছু গ্রহণ করলে এ যুগেও মহান কিছু অর্জন করা অসম্ভব হবে না।
রিসালাতের আনুগত্য আল্লাহকে কখনো কোনো মানুষ দেখেনি। পৃথিবীতে দেখার সুযোগ নেই। পরকালে সম্ভব হবে মুমিন বা মুত্তাকি হয়ে কবরে যাবার সুযোগ হলে। রাসূলের আনুগত্য বা তাঁর হাদীসের আলোকে জীবন গঠন করলেই তার আনুগত্য করা হবে। মুহাম্মদ (সা.)-কে যে রিসালাত দিয়ে পাঠিয়েছেন, সে ব্যাপারে আল্লাহ বলেন, ‘তুমি (রাসূল) যা কিছু কল্যাণ লাভ করো, তা মহান আল্লাহর পক্ষ থেকেই, আর তোমার কাছে যে অকল্যাণ পৌঁছে তা তোমার (মুহাম্মদ) নিজের পক্ষ থেকে। আর আমি তোমাকে মানুষের জন্য রিসালাত দিয়ে রাসূল হিসেবে প্রেরণ করেছি পৃথিবীতে। সাক্ষী হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট।’ (সূরা নিসা : ৭৯)।
আনুগত্যের ব্যাপারে কুরআন বলছে, ‘যে রাসূলের আনুগত্য করলো, সে আল্লাহরই আনুগত্য করলো। আর যে মুখ ফিরিয়ে নিল, তবে আমি তোমাকে তাদের ওপর তত্ত্বাবধায়ক করে বা রক্ষক হিসেবে প্রেরণ করিনি।’ এ বিষয়ে বুখারী শরীফের হাদীসে এসেছে, আবু মুসা (রা.) নবী (সা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, ‘তিনি (মুহাম্মদ) বলেছেন, বন্দীদের মুক্ত করে আনো (কাফেরদের হাতে যে মুসলিমরা বন্দী) এ দাওয়াতকারীর দাওয়াত গ্রহণ কর।’
আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘আমার উম্মতের সব লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে।
কিন্তু যে আনুগত্যকে অস্বীকার করেছে (সে জান্নাতবাসী হতে পারবে না)। জিজ্ঞাসা করা হলো- কে অস্বীকার করেছে, হে রাসূল? উত্তরে রাসূল (সা.) বলেন, যে আমার অনুসরণ করলো, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর যে ব্যক্তি আমার অনুসরণ করলো না, সে অস্বীকার করলো।’ (বুখারী : ৭২৮০)।
মুহাম্মদ (সা.)-এর নবুয়্যত হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নবুয়্যত প্রাপ্তি দুনিয়ার ইতিহাসে সমগ্র মানবতার জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ ঘটনা। যে লোকই রাসূলের (সা.) আগমন সম্পর্কে সংবাদ পাবে, সে তখন যে কোনো ধর্মের বিশ্বাসী হোক না কেন, সে যদি রাসূলের (সা.) নবুয়্যত বিশ্বাস না করে বা রিসালাতকে অস্বীকার করে এবং তিনি যে দীনসহ পৃথিবীতে প্রেরিত হয়েছেন তাঁর প্রতি ঈমান না আনে, আর এ অবস্থায়ই যদি সে মরে যায়, তবে তার জান্নাতবাসী হওয়া সম্ভব নয়; বরং সে নিশ্চিতরূপেই জাহান্নামী হবে। এ বিষয়ে একটি হাদীসে আবু হুরাইরা (রা.) বলেন, তিনি রাসূল বলেছেন, ‘নবী মুহাম্মদ (সা.) এরশাদ করেছেন, সেই মহান আল্লাহর শপথ, যার মুষ্টির মধ্যে মুহাম্মদের প্রাণ, এই উম্মতের মধ্যে যে লোক আমার সম্পর্কে শুনতে ও জানতে পারে সে ইহুদি হোক বা নাসারা; আর আমি যে দীনসহ প্রেরিত হয়েছি তার প্রতি ঈমান না এনেই মৃত্যুমুখে পতিত হবে, সে নিশ্চয়ই জাহান্নামের অধিবাসী হবে।’ মুসনাদে আহমদ।
এ হাদীস দ্বারা এটাই প্রমাণিত যে, রাসূল (সা.) রিসালাত প্রাপ্তি ও নবী হওয়ার পূর্ববর্তী সকল দীন ও ধর্ম বাতিল হয়ে গেছে। তখন রাসূল মুহাম্মদ (সা.)-এর উপস্থাপিত ইসলামই একমাত্র দীন। রাসূলে কারীম (সা.)-কে ‘খাতামুন্নাবিয়ীন’ বলা হয়েছে। কারণ তাঁর আগমনের দ্বারা নবুয়্যতের ধারা খতম করা হয়েছে। ‘মাওয়াহিবে লাদুনিয়া’ গ্রন্থে মুসলিম শরীফের এক হাদীসে বলা হয়েছে, নবী (সা.) হতে আব্দুল্লাহ ইবনুল আস (রা.) বর্ণনা করেন, নূরে মুহাম্মদ (সা.) এরশাদ করেছেন, ‘আল্লাহ তায়ালা আকাশ ও পৃথিবীকে সৃষ্টির পঞ্চাশ হাজার বছর আগে রাসূলের নূরকে পয়দা করেন ও তাঁর রিসালাত সম্পর্কে ‘লও হে মাহফুজে’ লিখে রেখেছেন এবং মুহাম্মদ (সা.) যে ‘খাতামুন্নাবিয়ীন’ তা মুসলিম শরীফের হাদীসেও বর্ণনা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে আল্লাহ বলেছেন, “এমনিভাবে আমি তোমাকে পাঠিয়েছি এমন এক জাতির নিকট, যার আগে অনেক জাতি গত হয়েছে- যেন আমি তোমার প্রতি যে অহি প্রেরণ করেছি, তা তাদের কাছে তিলাওয়াত কর। অথচ তারা রহমানকে (আল্লাহকে) অস্বীকার করে। বলুন, ‘তিনি আমার রব, তিনি ছাড়া আর কোনো (সত্য) ইলাহ নেই’, তাঁরই ওপর আমি তাওয়াক্কুল করেছি এবং তাঁরই দিকে আমার প্রত্যাবর্তন।” (সূরা রা’দ : ৩০)।
ইসলামের বা দ্বীনের সুসংবাদদাতা আল্লাহ আরো বলেন, ‘আমি তা (কুরআন) যথাযথভাবে নাজিল করেছি এবং যথার্থভাবে তাহা নাজিল হয়েছে। আমি তো তোমাকে শুধুমাত্র সুসংবাদদাতা ও সতর্কবাণীরূপে পাঠিয়েছি। (সূরা বনি ইসরাঈল : ১০৫)।
আনাস ইবনে মালিক (রা.) বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি বললো, ‘হে আল্লাহর রাসূল (সা.)! কাফেরদের কি হাশরের দিন নিম্নমুখী করে একত্রিত করা হবে? রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘যিনি এ দুনিয়ায় তাকে দু’পায়ের ওপর হাঁটাতে পারলেন তিনি কি হাশরে দিনে তাকে নিম্নমুখী করে চালাতে সক্ষম নন? কাতাদা (রা.) বলেছেন, ‘হ্যাঁ, আমাদের রবের ইজ্জতের শপথ! (তিনি এটা করতে সক্ষম)। বুখারী : ৪৭৬০)।
তাঁর ওপর নাজিল হওয়া প্রথম আদেশ পবিত্র কুরআনের সূরা আলাকের প্রথম ৫ আয়াত নজিল হয়, যা ছিল- ‘পড় তোমার মালিকের নামে, যিনি সবকিছু পয়দা করেছেন।’ মোট ২২ বছর ৫ মাসে কুরআন নাজিল হয়। পবিত্র কুরআনের সূরা আহযাব ও সাবাতে এ বিষয়ে অর্থাৎ তাঁর রিসালাত প্রাপ্তির কথা বলা হয়েছে। আল কুরআনে আল্লাহ বলেন, ‘হে নবী! আমি তোমাকে (হেদায়াতের) সাক্ষী (বানিয়ে) পাঠিয়েছি, বানিয়েছি সুসংবাদদাতা জান্নাতের। সূরা আহযাব : ৪৫। তিনি আরো বলেন, (হে নবী), আমি তোমাকে সমগ্র মানবজাতির জন্য (জান্নাতের) সুসংবাদদাতা ও (জাহান্নামের) সতর্ককারীরূপে পাঠিয়েছি। সূরা সাবা : ২৮।
এভাবে মুহাম্মদ (সা.) ওপর রিসালাতের দায়িত্ব আসে। আল্লাহর রাসূল মুহাম্মদ (সা.) যে রিসালাতের দায়িত্ব পেয়েছেন, তার প্রমাণ আল্লাহ এভাবে ঘোষণা করেছেন, ‘তুমি অবশ্যই রাসূলদের একজন।’ (সূরা ইয়াসিন : ৩)।
শিক্ষা আল্লাহর নবী রিসালাতের দায়িত্ব পালন করেই ক্ষান্ত হননি। তিনি উম্মতকে ভালোবেসেছেন নিজের সন্তানের চেয়ে বেশি।
তাই তিনি নির্জন পাহাড়ের পাদদেশে উম্মতি উম্মতি বলে কাঁদতে পেরেছিলেন। তাই আমাদের মানুষকে ভালোবাসতে শিখতে হবে। ভালোবাসতে হবে অন্তর দিয়ে। আল্লাহকে খুশি করার জন্য। তাহলে নবীপ্রেম সার্থক হবে। মুহাম্মদ (সা.) মানুষকে যেমন ভালোবাসতেন, তেমনি গাছপালা, ফলফুলও ভালোবাসতেন। শেষ করবো একটি কবিতা দিয়ে। আমাদের প্রিয়নবীর (সা.) বাণী আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে এ ছন্দে।
‘জোটে যদি মোটে একটি পয়সা
খাদ্য কিনো ক্ষুধার লাগি,
জোটে যদি দু’টি তবে অর্ধেকে
ফুল কিনে নিয়ো হে অনুরাগী।’
ফুলকে মানুষ যেমন ভালোবাসে, তেমনি মানুষকেও ভালোবাসতে হবে রাসূলের সান্নিধ্য পেতে। দুস্থ মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে। লোকদেখানো ভালোবাসা কোনো কাজে আসবে না। মুহাম্মদ (সা.)-এর রিসালাতের শিক্ষা হোক মানুষের প্রতি দরদ দিয়ে ভালোবাসার। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সেই তাওফিক দান করুন। আমীন।
তথ্যসূত্র :
১. আল কুরআন একাডেমি লন্ডন : হাফেজ মুনির উদ্দীন আহমদ অনূদিত কোরআন শরীফ (বাংলাসহ)।
২. আল কুরআন : মাওলানা আবদুস শহিদ নাসিম অনূদিত।
৩. বুখারী শরীফ : অধ্যাপক ড. খ ম আব্দুর রাজ্জাক সম্পাদিত।
৪. হাদীস শরীফ : মাওলানা আবদুর রহীম (রহ.)।
লেখক : সাংবাদিক।

 

About admin

Check Also

হিন্দু যুবকের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ

রামগড় প্রতিনিধি (খাগড়াছড়ি): খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালা উপজেলার সনাতন ধর্মাবলম্বী এক যুবক শান্তির ধর্ম ইসলামের প্রতি …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *